Presenting ...." অপুর দাদুগাছ"

Updated: Jan 17




আসসালামু আলাইকুম! আমি নিহা। চাঁদপুর জেলায় বসবাস। বই পড়তে ও ছোটদের সাথে সময় কাটাতে বেশ ভালোবাসি। স্কুলজীবন থেকে বই পড়া শুরু করি। ঠাকুরমার ঝুলি ও আবল তাবল ছিল সবচেয়ে পছন্দ। বইয়ে বইয়ে শৈশব তেমন করে কাটাতে পারি নি। তবে কৈশোর কেটেছে ভারী মজায়। মুহম্মদ জাফর ইকবাল স্যারের কিশোর উপন্যাসগুলো ছিল অত্যন্ত প্রিয়। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পরে বইয়ের জগত বুকস্টাগ্রামে বুক-ব্লগিং (@booquotations) শুরু করি। সেই সাথে গুডরিডস্-এ একটা অ্যাকাউন্ট (www.goodreads.com/booquotations) তৈরী করি। ময়ূরপঙখীর সাথে পুরাদস্তুরভাবে পরিচয় বুকস্টাগ্রামের মাধ্যমে হলেও মূলত পরিচিতি ঘটে ‘বাবুইবেলা’ বইটির মাধ্যমে। বইয়ে বইয়ে শৈশব মানেই ময়ূরপঙ্খি।

আমি ধারাবাহিকভাবে ময়ূরপঙ্খির নতুন বইগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরব।

অপুর দাদুগাছ

গল্প : মঞ্জু সরকার ছবি : সারা তৌফিকা




এটি চমৎকার এবং বর্ণময় চিত্রিত শিশুদের বই যেখানে ভাগ করে নেওয়ার গুরুত্ব প্রকাশ পায়। এছাড়াও, প্রকাশ পায় - ভাগ করে নেওয়া হচ্ছে বন্ধুত্ব গড়ে তোলার একটি সামাজিক দক্ষতা। গল্পটি একটি ছোট্ট ছেলে ‘অপু’ কে নিয়ে যার দাদুর একটি বড় আম গাছ আছে। দাদুর মৃত্যুর পরে গাছটির সামনে তাকে কবর দেয়া হয় বলে অপু গাছটির নাম দিয়েছিল- দাদুগাছ। একদিন খুব বাতাস আসে। আম বাতাসে দুলে দুলে গাছ থেকে পড়ে যায়। অপু আম কুড়ানোর জন্য যায় কিন্তু একা একা এত আম কুঁড়াতে পারে না। এমন সময়, গ্রাম থেকে কিছু শিশু আম কুঁড়াতে আসে। যখন সমস্ত আম কুঁড়ানো শেষ হয় তখন তারা সেই সমস্ত আম অপুকে দিয়ে দেয়। আর তাই, ছোট্ট অপু প্রতিটি বাচ্চাকে দুটি করে আম দেয়। ⠀

এই বইটিতে দুটি বিষয় শিখানো হয়েছে। প্রথম বিষয় দলীয় কাজ। একটি প্রবাদ আছে: একা আমরা খুব কম করতে পারি; একসাথে আমরা অনেক কিছু করতে পারি। এবং দ্বিতীয় বিষয় হল- খাবার ভাগ করে নেওয়া। খাবার ভাগ করে নেওয়া বাচ্চাদের বন্ধু তৈরি করতে এবং পুরো মানবতার প্রতি সদয় হতে সাহায্য করে। ⠀

আপনার শিশুদের ভালোটা শেখানো ও খারাপটা চেনানোর সেরা উপায় হল ইলাস্ট্রেটেড শিশুদের বই।এই বইটি শিশুদের জন্য সঠিক বাছাই।⠀



অপুর দাদুবাড়িতে অনেক বড় একটা আমগাছ আছে। দাদুবাড়িতে গেলে অপুর দিন কাটে সেই গাছের সাথে। গাছটা মাঝে মাঝে ওকে ডাকে, কখনও বা হাসেও। ইচ্ছা হলে বাতাসে মাথা দুলিয়ে আমও ছুড়ে দেয়।


  • ৪-৮ বছর বয়সী শিশুদের জন্য উপযোগী।

  • ৮"×১০.৮" ছবির বই, ১৬ পৃষ্ঠা





মঞ্জু সরকার


কথাশিল্পী মঞ্জু সরকার ছোটগল্প, উপন্যাস ও শিশুসাহিত্য রচনায় কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন। এ পর্যন্ত প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা পঞ্চাশের বেশি। সাহিত্যে সামগ্রিক অবদানের জন্য ১৯৯৮ সালে পেয়েছেন বাংলা একাডেমি পুরস্কার। এছাড়া ফিলিপস, আলাওল ও অগ্রণী ব্যাংক-শিশু একাডেমি শিশুসাহিত্য পুরস্কারসহ আরো অনেক সম্মাননাও রয়েছে তাঁর ঝুলিতে। তিনি ২০০৬ সালে আইওয়ার ইন্টারন্যাশনাল রাইটিং প্রোগ্রামে অংশ নিয়েছেন। ‘তমস’, ‘মৃত্যুবাণ’ প্রভৃতি তাঁর বিখ্যাত বই। তাঁর রচিত শিশুসাহিত্যের মধ্যে অন্যতম ‘ছোট্ট এক বীরপুরুষ’, ‘রাজাকার পালায়’, ‘ভূত দেখা’, ‘অপুর দাদুগাছ’ প্রভৃতি।


সারা তৌফিকা


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গ্রাফিক্স ডিজাইনের শিক্ষার্থী সারা তৌফিকা গ্রাফিক্সের পাশাপাশি ইলাস্ট্রেশনেও সমান আগ্রহী। শিশুতোষ প্রকাশনা ‘ইকরি মিকরি’র নিয়মিত শিল্পী। বর্তমানে ‘সিসিমপুরে’ও কাজ করছেন। ময়ূরপঙ্খি প্রকাশিত তাঁর অংলকৃত বইয়ের মধ্যে অন্যতম: ‘অপুর দাদুগাছ’, ‘অহংকারী তোতা’, ‘কবতিার জোরে মন্ত্রী’, ‘ভোজের ভোজবাজি’ এবং ‘রংপাতার গাছ’।





24 views0 comments
  • Facebook
  • Twitter
  • YouTube
  • Pinterest
  • Instagram