Presenting... Beautifully illustrated picture book " বাঘ মামার শুভ জন্মদিন"

Updated: Apr 1

বছরের শুরুতে বের হওয়া বইটি ইতিমধ্যে শিশুদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে ।

বইটি লিখেছেন শুচিস্মিতা আর ছবি একেছেন এস এম রাকিবুর রহমান । লেখক ও আকিয়ের মুখে বইটির পিছনের গল্প শুনতে আর বুক রিভিউ পড়তে নিচে দেখুন ।


গল্পের পিছনে আরেকটি গল্প

লেখক আর আকিয়ে দম্পতি আমাদেরকে বলেছেন তাদের বাঘ মামার শুভ জন্মদিন বইয়ের পিছনের গল্প


বই আলোচনা

ভিডিও ও লেখা: মৃদুলা @booktrovert_mridula


আচ্ছা,আমাদের যেমন জন্মদিন হয়, হরেক রঙের বেলুন, মোমবাতি, কেক আর ঝালরে রঙিন হয়ে ওঠা আমাদের মন অপেক্ষা করতে থাকে পরের বছরের, বনের বাঘ ভালুদের ও কি ওমন জন্মদিন হয়? ওরাও কি গাপুসগুপুস করে কেক, চকলেট খায় ওদের জন্মদিনে? বাঘ মামা কি বনের সবাইকে দাওয়াত দেয় তার জন্মদিনে?আচ্ছা,বনের সবচেয়ে ধীরগতির প্রাণী কচ্ছপ ভাইয়া কি জন্মদিনে পৌঁছাতে পারে সময়মত? ছোটবেলায় এমন কত প্রশ্নই না মনে আসতো আমার আর এই 'বাঘমামার শুভ জন্মদিন' বইটা যেন ছোটবেলার সেই সব প্রশ্নের উত্তরগুলো দিয়ে দিয়েছে। -সহজ ভাষায়,রঙবেরঙের ছবি দিয়ে কত আদুরে করেই না পুরো গল্পটা লেখা হয়েছে।ভীষণ ভালো লাগা কাজ করেছে বইটা পড়তে গিয়ে।যেসব বাচ্চাকাচ্চা বাহিনী মাত্রই দাঁত ভেঙেটেঙে অল্পস্বল্প রিডিং পড়া শুরু করেছে তাদের জন্য চমৎকার একটা বই।গল্পে গল্পে এমন বনের বন্ধুদের নিয়ে জানতে কার না ভালো লাগবে??আর গল্পের শেষে র‍য়েছে নিজের জন্মদিনের অভিজ্ঞতা শেয়ারের জন্য ছোট্ট একটি নোট আর বাঘমামাকে নিজের কাছে হাজির করার জন্য আলাদিনের চেরাগ; থুক্কু সহজ একটি অরিগ্যামি .

বই আলোচনা

ছবি ও লেখা: নিহা হাসান


কাল বাঘের জন্মদিন। লাল ঝুটির মোরগ, ঝিলের ধারের কোলা ব্যাঙ, ইঁদুর, বানর, জিরাফ, হাতি, ময়ূর পুরো বনের সবাই নিমন্ত্রিত। বনের ছোট্ট কচ্ছপ বাঘ মামার জন্য জন্মদিনের কেক বানায়। খুব সকালে কচ্ছপ পিঠে কেক নিয়ে রওনা দিল। পথেই দেখা হয়ে যায় বনের অন্যান্যদের সাথে। সবাই বলল, “জন্মদিন তো বিকেলে। এত সকালে গিয়ে কি হবে!” কুমির বাঘের জন্য ছবি আঁকছে। হরিণ খুব সেজেছে বাঘের জন্মদিনে যাবে বলে। ততক্ষনে প্রায় দুপুর হয়ে গেছে। সিংহ কচ্ছপকে দেখে বলল, দেরী হয়ে যাচ্ছে , দ্রুত পা চালাও। দুপুরের কড়া রোদে কচ্ছপের অনেক কষ্ট হয়। সিংহ, শেয়াল, খরগোশ কচ্ছপকে পিছনে ফেলে চলে গেল। কচ্ছপ মনে মনে বলে যে করেই হোক সন্ধ্যার আগে পৌঁছাতে হবে। কিন্তু সন্ধ্যা হয়েই গেল, সে আর পৌঁছাতে পারল না। মন খারাপ করে কচ্ছপটা একটা গাছের নিচে বসে পড়ে। গাছে লুকিয়ে থাকা ছোট্ট ভূত কচ্ছপের মনের কথা শুনে ফেলে। আর ভূত কেক নিয়ে কচ্ছপের মন খারাপ করে জঙ্গলে বসে থাকার খবরটা সবাইকে দিতে ছুটে যায়। তাই শুনে সবাই কচ্ছপের কাছে যায়। একসাথে সবাই মিলে কেক কাটে আর অনেক আনন্দ করে। বন্ধু ছাড়া কি জন্মদিন হয়! এই বইটিতে অসাধারণভাবে চিত্রের মাধ্যমে বন্ধুর সাথে নিরহঙ্কার হওয়ার, একসাথে আনন্দ করার, বন্ধু ক্ষুদ্র হলেও তার প্রতি কোমল ভালবাসা জ্ঞাপন করার সুন্দর একটি বার্তা ছোট্ট পাঠক বন্ধুদের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করা হয়েছে। পাশাপাশি কেক বানানোর উপাদানের একটি তালিকা, অরিগামি বাঘ বানানোর কৌশল সহজভাবে চিত্রের মাধ্যমে দেখানো হয়েছে। ছোট্ট পাঠক বন্ধুর জন্মদিনের সবচেয়ে মজার ঘটনা জানতে চেয়ে দুই পৃষ্ঠা লেখার জায়গা রাখা আছে। এটি একটি মজাদার শিক্ষামূলক বই। ৪-৮ বছর বয়সী শিশুর জন্য উপযুক্ত।

বই আলোচনা




লেখক ও আকিয়ের পরিচিতি




এস এম রাকিবুর রহমান

বছরের শুরুতে বের হওয়া বইটি ইতিমধ্যে শিশুদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে ।বইটি লিখেছেন শুচিস্মিতা আর ছবি একেছেন এস এম রাকিবুর রহমান । লেখক ও আকিয়ের মুখে বইটির পিছনের











শুচিস্মিতা

শুচিস্মিতা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চারুকলা অনুষদ থেকে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন। পেশায় গেম ডিজাইনার। তাঁর লেখার শুরু অবশ্য অনেক আগে, বাবার হাত ধরে। অরিগামি বানাতেও খুব পছন্দ করেন। যেভাবেই হোক, ছোটদের জন্য কিছু করতে পারলে তাঁর আনন্দের সীমা থাকে না।

27 views0 comments
  • Facebook
  • Twitter
  • YouTube
  • Pinterest
  • Instagram